অনার্স এবং ডিগ্রী প্রথম বর্ষের স্পেশাল শর্ট সাজেশন রেডি আছে যাদের লাগবে হোয়াটস্যাপ এ যোগাযোগ করুন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
অনার্স প্রথম এবং ডিগ্রী প্রথম বর্ষের নভেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হবে!! কাজেই যাদের ৯৯% কমন রকেট স্পেশাল সাজেশন লাগবে আজই যোগাযোগ করুন।।
Earn Free BTC

Make Money Online
অনার্স চতুর্থ বর্ষের সকল বিভাগের স্পেশাল সাজেশন রেডি আছে যাদের লাগবে যোগাযোগ করুন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। হোয়াটস্যাপ +8801925492441
Welcome To TopSuggestion

সামাজিক সমস্যার বৈশিষ্ট্য সমূহ লিখ

সামাজিক সমস্যার বৈশিষ্ট্য সমূহ লিখ

 

ভূমিকা: সামাজিক সমস্যা কম-বেশি সকল সমাজেই আছে। ব্যক্তি জীবনে এবং পরিবার জীবনে মানুষের যেমন বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় তেমনি সমাজ জীবনেও মানুষকে নানা সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়। সামাজিক সমস্যা মূলত সমাজেরই এক ধরণের অবস্থা যা মানুষ পছন্দ করে না আর কামনাও করে না। সামাজিক সমস্যায় মানুষ যেমন পড়তে চায় না, তেমনি সমস্যায় পড়লে তা থেকে সকলে মুক্তি পেতে চায়। সামাজিক সমস্যা কিন্তু প্রাকৃতিক সমস্যা, শারীরিক সমস্যা ইত্যাদি হতে আলাদা। সামাজিক সমস্যার জম্ম হয় নানা কারণে। আবার সমাজের অধিকাংশ মানুষ যদি এ

সমস্যায় আক্রান্ত অথবা এর ভয়াবহতা সম্পর্কে একমত না হয় তবে একে সামাজিক সমস্যা বলা যাবে না। প্রাকৃতিক, ভৌগলিক, দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি নানা কারণ সামাজিক সমস্যা সৃষ্টির জন্যে দায়ী। তবে একটি মাত্র কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হয় না; বরঞ্চ একাধিক কারণের ফলে একটি সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হয় । সঙ্গত কারণে, সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা করার পন্থাও একটি নয়। বরঞ্চ বিভিন্ন উপায়ে এবং কৌশলে সামাজিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বর্তমানে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান ও কলা-কৌশল প্রয়োগ করে সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা করা হচেছ। সামাজিক বিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচেছন।ভূমিকা সামাজিক সমস্যা কম-বেশি সকল সমাজেই আছে। ব্যক্তি জীবনে এবং পরিবার জীবনে মানুষের যেমন বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় তেমনি সমাজ জীবনেও মানুষকে নানা সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়। সামাজিক সমস্যা মূলত সমাজেরই এক ধরণের অবস্থা যা মানুষ পছন্দ করে না আর কামনাও করে না। সামাজিক সমস্যায় মানুষ যেমন পড়তে চায় না, তেমনি সমস্যায় পড়লে তা থেকে সকলে মুক্তি পেতে চায়। সামাজিক সমস্যা কিন্তু প্রাকৃতিক সমস্যা, শারীরিক সমস্যা ইত্যাদি হতে আলাদা। সামাজিক সমস্যার জম্ম হয় নানা কারণে। আবার সমাজের অধিকাংশ মানুষ যদি এ সমস্যায় আক্রান্ত অথবা এর ভয়াবহতা সম্পর্কে একমত না হয় তবে একে সামাজিক সমস্যা বলা যাবে না। প্রাকৃতিক, ভৌগলিক, দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি নানা কারণ সামাজিক সমস্যা সৃষ্টির জন্যে দায়ী। তবে একটি মাত্র কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হয় না; বরঞ্চ একাধিক কারণের ফলে একটি সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হয় । সঙ্গত কারণে, সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা করার পন্থাও একটি নয়। বরঞ্চ বিভিন্ন উপায়ে এবং কৌশলে সামাজিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বর্তমানে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান ও কলা-কৌশল প্রয়োগ করে সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা করা হচেছ। সামাজিক বিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচেছন।ভূমিকা সামাজিক সমস্যা কম-বেশি সকল সমাজেই আছে। ব্যক্তি জীবনে এবং পরিবার জীবনে মানুষের যেমন বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় তেমনি সমাজ জীবনেও মানুষকে নানা সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়। সামাজিক সমস্যা মূলত সমাজেরই এক ধরণের অবস্থা যা মানুষ পছন্দ করে না আর কামনাও করে না। সামাজিক সমস্যায় মানুষ যেমন পড়তে চায় না, তেমনি সমস্যায় পড়লে তা থেকে সকলে মুক্তি পেতে চায়। সামাজিক সমস্যা কিন্তু প্রাকৃতিক সমস্যা, শারীরিক সমস্যা ইত্যাদি হতে আলাদা। সামাজিক সমস্যার জম্ম হয় নানা কারণে। আবার সমাজের অধিকাংশ মানুষ যদি এ সমস্যায় আক্রান্ত অথবা এর ভয়াবহতা সম্পর্কে একমত না হয় তবে একে সামাজিক সমস্যা বলা যাবে না। প্রাকৃতিক, ভৌগলিক, দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি নানা কারণ সামাজিক সমস্যা সৃষ্টির জন্যে দায়ী। তবে একটি মাত্র কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হয় না; বরঞ্চ একাধিক কারণের ফলে একটি সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হয় । সঙ্গত কারণে, সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা করার পন্থাও একটি নয়। বরঞ্চ বিভিন্ন উপায়ে এবং কৌশলে সামাজিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বর্তমানে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান ও কলা-কৌশল প্রয়োগ করে সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা করা হচেছ। সামাজিক বিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচেছন।ভূমিকা সামাজিক সমস্যা কম-বেশি সকল সমাজেই আছে। ব্যক্তি জীবনে এবং পরিবার জীবনে মানুষের যেমন বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় তেমনি সমাজ জীবনেও মানুষকে নানা সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়। সামাজিক সমস্যা মূলত সমাজেরই এক ধরণের অবস্থা যা মানুষ পছন্দ করে না আর কামনাও করে না। সামাজিক সমস্যায় মানুষ যেমন পড়তে চায় না, তেমনি সমস্যায় পড়লে তা থেকে সকলে মুক্তি পেতে চায়। সামাজিক সমস্যা কিন্তু প্রাকৃতিক সমস্যা, শারীরিক সমস্যা ইত্যাদি হতে আলাদা। সামাজিক সমস্যার জম্ম হয় নানা কারণে। আবার সমাজের অধিকাংশ মানুষ যদি এ সমস্যায় আক্রান্ত অথবা এর ভয়াবহতা সম্পর্কে একমত না হয় তবে একে সামাজিক সমস্যা বলা যাবে না। প্রাকৃতিক, ভৌগলিক, দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি নানা কারণ সামাজিক সমস্যা সৃষ্টির জন্যে দায়ী। তবে একটি মাত্র কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হয় না; বরঞ্চ একাধিক কারণের ফলে একটি সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হয় । সঙ্গত কারণে, সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা করার পন্থাও একটি নয়। বরঞ্চ বিভিন্ন উপায়ে এবং কৌশলে সামাজিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বর্তমানে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান ও কলা-কৌশল প্রয়োগ করে সামাজিক সমস্যা মোকাবেলা করা হচেছ। সামাজিক বিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচেছন।

সামাজিক সমস্যার বৈশিষ্ট্য: প্রতিটি সমাজেই নানা ধরণের সমস্যার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। কিন্ত যে কোন সমস্যাই সামাজিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয় না । বিভিন্ন সংজ্ঞার আলোকে সামাজিক বিজ্ঞানীরা সামাজিক সমস্যার কিছু বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করেছেন। এগুলো হলো:

ক. অনাকাঙ্খিত সামাজিক অবস্থা ঃ সামাজিক সমস্যা মূলত এক ধরণের সামাজিক অবস্থা যার সৃষ্টি সমাজেই। কিন্তু এ অবস্থার উদ্ভব কিংবা উপস্থিতি সমাজের মানুষ কামনা করে না এবং পছন্দও করে না । তাই সামাজিক সমস্যা সব সময়ই একটি অবাঞ্চিত সামাজিক পরিস্থিতি বলে বিবেচিত হয়। যেমন, দারিদ্র সমস্যা একটি অনাকাঙ্খিত সামাজিক অবস্থা।

খ. অধিকাংশ লোকের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে ঃ সামাজিক সমস্যা সমাজের বেশিরভাগ মানুষের জন্যে ক্ষতির কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। সমাজের অধিকাংশ মানুষ যখন তাদের স্বার্থ, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের দৃষ্টিতে একটি সামাজিক অবস্থাকে তাদের জন্যে ক্ষতিকারক বলে মনে করবে তখন তাকে সামাজিক সমস্যার পর্যায়ে ফেলা হবে। এ অবস্থায় তাদের জীবনযাত্রার মান ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং উন্নতি ব্যাহত। অবশ্য প্রাথমিকভাবে মানুষ সমস্যাটিকে নানা কারণে অনুভব নাও করতে পারে; কিন্তু এর ভয়াবহতা অধিকাংশকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে।

গ. সামাজিক চাপ, উত্তেজনা, দ্বন্দ্ব ও হতাশা সৃষ্টিকারী ঃ যখন সমাজের ক্ষতিকারক একটি সামাজিক অবস্থা সৃষ্টি হয় তখন মানুষের মধ্যে ও সমাজে চাপ, উত্তেজনা,দ্বন্দ্ব, হতাশা ইত্যাদির উদ্ভব হয় । এতে করে সামাজিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অন্তরায় সৃষ্টি হয়। কারণ সামাজিক সমস্যা সামাজিক শঙ্খলা, সংহতি ও কাঠামোকে দুর্বল করে দেয়। যেমন, সন্ত্রাষের কারণে সমাজের প্রায় প্রতিজন সদস্যই ভয়ের মধ্যে থাকে।

ঘ. একাধিক কারণে সৃষ্ট, জটিল ও পরিবর্তনশীল ঃ সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি একাধিক কারণে। দৈহিক, প্রাকৃতিক, ভৌগলিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট এটি একটি জটিল সামাজিক অবস্থা। আবার সমাজ যেমন পরিবর্তনশীল তেমনি সামাজিক সমস্যাও পরিবর্তনশীল। সময় ও স্থানভেদে সামাজিক সমস্যার রূপ পরিবর্তিত হয়। আজকের অবস্থা কালকেই সমস্যা; আবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রচলিত নিয়ম এদেশে জটিল সমস্যা বলে বিবেচিত হতে পারে।

ঙ. সমস্যা মোকাবেলায় যৌথ উদ্যোগ ঃ সমাজে যখন একটি ক্ষতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে এবং অধিকাংশ মানুষ যখন উত্তেজিত, উদ্বিগ্ন ও দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হয় তখন তারা এ পরিস্থিতির হাত হতে মুক্তি পারার জন্যে সংঘবদ্ধ হয়। সমস্যা মোকাবেলায় তারা যৌথ উদ্যোগ গড়ে তোলে। কারণ তারা বুঝতে পারে একা একা নয় বরঞ্চ সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করলে এ সমস্যা মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।

৬. সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টায় এ সমস্যা মোকাবেলা সম্ভব ঃ সামাজিক সমস্যার চুড়ান্ত বৈশিষ্ট্য হলো, সংশি−ষ্ট সমাজবাসীর সম্মিলিত বা যৌথ প্রচেষ্টায় এ সমস্যা মোকাবেলা করা সম্ভব। প্রাকৃতিক কিংবা ভৌগলিক সমস্যা মানুষের পক্ষে অধিকাংশ সময় মোকাবেলা করা সম্ভব হয় না। কিন্তু সামাজিক সমস্যা থাকে মানুষের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার মধ্যে। যেমন, জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে এদশে বহুলাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধিহার বাংলাদেশে হ্রাস পেয়েছে।


উপসংহারঃ সামাজিক সমস্যা সমাজ হতে উদ্ভূত একটি অবস্থা যা সমাজের অধিকাংশ লোকের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে। এতে মানুষ উদ্বিগ্ন, উত্তেজিত ও আন্দোলনমুখী হয়। সমস্যা মোকাবেলায় সমাজ সদস্যরা সংঘবদ্ধ হয় এবং এর মাধ্যমে সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। সামাজিক মানুষের স্বাভাবিক ও বাঞ্ছিত জীবন যাপনের পথে বাধা সৃষ্টিকারী এবং সমাজের অগ্রগতির প্রতিবন্ধক হলো সামাজিক সমস্যা। তবে প্রতিটি সমাজেই এ সমস্যার উপস্থিতি আছে। 

Share This

0 Response to "সামাজিক সমস্যার বৈশিষ্ট্য সমূহ লিখ"

Post a Comment

Popular posts