অনার্স এবং ডিগ্রী প্রথম বর্ষের স্পেশাল শর্ট সাজেশন রেডি আছে যাদের লাগবে হোয়াটস্যাপ এ যোগাযোগ করুন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
অনার্স প্রথম এবং ডিগ্রী প্রথম বর্ষের নভেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হবে!! কাজেই যাদের ৯৯% কমন রকেট স্পেশাল সাজেশন লাগবে আজই যোগাযোগ করুন।।
Earn Free BTC

Make Money Online
অনার্স চতুর্থ বর্ষের সকল বিভাগের স্পেশাল সাজেশন রেডি আছে যাদের লাগবে যোগাযোগ করুন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। হোয়াটস্যাপ +8801925492441
Welcome To TopSuggestion

তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি ব্যবহারে নৈতিকতা।

তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি ব্যবহারে নৈতিকতা।


 নৈতিক মূল্যবােধ হলাে সুনির্দিষ্ট কিছু নৈতিক ধারণা , যা মানুষ নিজের ভেতর ধারণ করে এবং এগুলাে কারো সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের দ্বারা অতিমাত্রায় প্রভাবিত হয় । বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে নৈতিকতার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয় । তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিরাট ক্ষেত্রটিতে প্রায় সর্বত্রই কম্পিউটার প্রযুক্তির সংশ্লিষ্টতা লক্ষ্য করা যায় । আর তাই কম্পিউটার এথিকস বা কম্পিউটার নীতিশাস্ত্র নামে ব্যবহারিক দর্শনশাস্ত্রের একটি শাখা সৃষ্টি হয়েছে- যেটি পেশা ও সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী কম্পিউটিং প্রফেশনালদের কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে সে বিষয়টি আলােচনা করে । বােলিং । গ্রিন স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড . ওয়াল্টার ম্যানার সর্বপ্রথম কম্পিউটার এথিকস টার্মটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেন । কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনসমূহে কম্পিউটার এথিকস একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । কিছুসংখ্যক প্রশ্ন রয়েছে যেগুলাে কম্পিউটার এথিকস - এর অধীনে বিস্তারিত আলােচিত হয়ে থাকে । ইন্টারনেটের উত্থানের ফলে বর্তমান সময়ে উদীয়মান কিছু সমস্যা কিংবা যেগুলাে নতুন রূপ পেয়েছে যেমন- ‘ হ্যাকিং ' - এর বিষয়ে নৈতিকতার প্রশ্ন জড়িত । এখন অন্যের সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার বহু উপায় রয়েছে , যেগুলাে ব্যাপক মাত্রায় কম্পিউটার প্রচলনের আগে সহজলভ্য ছিল না । ইনফরমেশন স্টোরেজ অ্যান্ড রিট্রাইভাল ' ইস্যুটি এক্ষেত্রে সামনে চলে আসে । বিশাল ডেটাবেজে থাকা ব্যক্তিগত ডেটা কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায় সে বিষয়টিও রয়েছে । সফ্টওয়্যারের কপিরাইট লঙ্নের বিষয়টি সর্বত্র আলােচিত হচ্ছে , বিশেষ করে ফাইল শেয়ারিং প্রােগ্রামগুলাে সম্পর্কে যেমন- ন্যাপস্টার । টরেন্ট সাইটগুলাের মাধ্যমে অবাধে সফটওয়্যার ও কপিরাইটের বিষয়বস্তু বিনামূল্যে বিতরণের মাধ্যমে কপিরাইট আইন লঙ্তি হচ্ছে । নৈতিকতার প্রশ্নটি এখানে এসে যাচ্ছে যে , সফটওয়্যার , মিউজিক বা মুভি কপি করাটা কি উচিত না অনুচিত ? ইন্টারনেটের ব্যবহার ভায়ােলেন্সের একটি হাতিয়ার হয়ে উঠেছে । শিশু পর্ণগ্রাফি , অন্যকে সমস্যার মধ্যে ফেলা ইত্যাদি বিষয় বিভিন্ন ধরনের নৈতিক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে । তাই তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি ক্ষেত্রে পেশাদার লােকদের জন্য এসব প্রশ্নের উত্তর এবং এক্ষেত্রে করণীয় বিষয়গুলাে জানা আবশ্যক হয়ে পড়েছে । ১৯৯২ সালে কম্পিউটার এথিকস ইন্সটিটিউট ’ কম্পিউটার এথিকস - এর বিষয়ে দশটি নির্দেশনা তৈরি করে । নির্দেশনাগুলাে র্যামন সি , বারকুইন তার " In Pursuit of a ' Ten Commandments ' for Computer Ethics " গবেষণাপত্রে উপস্থাপন করেছিলেন । 


এ দশটি নির্দেশনা হলােঃ 

১. অন্যের ক্ষতি করার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করাে না । 

২. অন্যের কাজের ব্যাঘাত সৃষ্টির জন্য কম্পিউটার প্রযুক্তিকে ব্যবহার করাে না ।

৩ , অন্যের কম্পিউটারের ডেটার উপর নজরদারি করাে না । 

৪. তথ্য চুরির উদ্দেশ্যে কম্পিউটার ব্যবহার করাে না । 

৫. কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য রটানাের কাজে সম্পৃক্ত না হওয়া বা সহযােগিতা না করা। 

৬. যেসব সফটওয়্যার - এর জন্য তুমি অর্থ প্রদান করাে নি , সেগুলাে ব্যবহার বা কপি করাে না। 

৭. অনুমতি ব্যতিরেকে অন্যের কম্পিউটার রিসাের্স ব্যবহার করাে না। 

৮ , অন্যের বুদ্ধিদীপ্ত বা গবেষণালব্দ ফলাফলকে নিজের মালিকানা বলে দাবি করাে না। 

৯. প্রােগ্রাম লেখার পূর্বে সমাজের উপর তা কী ধরনের প্রভাব ফেলবে সেটি চিন্তা করাে। 

১০. যােগাযােগের ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহারের সময় সহকর্মী বা অন্য ব্যবহারকারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও সৌজন্যতা প্রদর্শন করা।


Share This

0 Response to "তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি ব্যবহারে নৈতিকতা। "

Post a Comment

Popular posts