ডিগ্রী ২য় বর্ষ ২০২১ দর্শন ৪র্থ পত্র স্পেশাল শর্ট সাজেশন রেডি আছে নিতে চাইলে ম্যাসেজ করুন।
Welcome To TopSuggestion

করোনার উপসর্গ ও আপনার করনীয়

করোনার উপসর্গ ও আপনার করনীয়

সন্দেহভাজন করোনা রোগীর উপসর্গ : 

১. জ্বর (৯৯ ডিগ্রি বা তার বেশি)
২. শুকনা কাশি
৩. গলা ব্যাথা
৪. শ্বাসকষ্ট
৬. শরীর খারাপ লাগা
৭. সর্দি ভাব
৮. বুক ব্যাথা
৯. মাথা ব্যাথা
১০. পাতলা পায়খানা, ডায়রিয়া
১১. মুখে স্বাদ না থাকা
১২. নাকে গন্ধ না পাওয়া

করণীয়:
উপসর্গসমূহের অন্তত ২টি থাকলে অথবা মুখে স্বাদ বা নাকে গন্ধ না পেলে দ্রুত করোনা পরীক্ষা করুন।

 

মৃদু উপসর্গ:  

১. জ্বর (১০০ ডিগ্রির নিচে)
২. শুকনা কাশি
৩. গলা ব্যাথাা
৪. ক্লান্তি/দুর্বলতা
৫. মাথা ব্যাথা
৬. পেশীতে ব্যাথা
৮. পাতলা পায়খানা, ডায়রিয়া, বমি
৯. মুখে স্বাদ না থাকাা
১০. নাকে গন্ধ না পাওয়া

করণীয়:
কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী/রোগীর সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তি ১৪ দিন পর্যন্ত আইসোলেশনে থাকবেন চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সময়সীমা বেশি বা কম হতে পারে।
রোগীকে আলাদা কক্ষ ও আলাদা শৌচাগার ব্যবহার করতে হবে।
রোগীর তৈজসপত্র যেমন-থালা, গ্লাস, কাপ ইত্যাদি, তোয়ালে, বিছানার চাদর ইত্যাদি অন্য কারো সাথে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা যাবেনা।
রোগীকে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
রোগীকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও ভিটামিন-সি যুক্ত ফল যেমনঃ লেবু, কমলা, মাল্টা, আমলকি প্রভৃতি খেতে হবে।
একটি থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।
যদি নতুন উপসর্গ দেখা দেয় বা আগের উপসর্গের অবনতি হয় তাহলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

মাঝারি উপসর্গ:

পূর্বের উপসর্গের সাথে
১.জ্বর (১০১-১০২ ডিগ্রি)
২.শরীরে শিরশিরে ভাব (নিয়মিত কাঁপুনিসহ)
৩.ভারি কাশিা
৪.শ্বাসকষ্ট (অক্সিজেন সেচুরেশন ৯৪% এর নীচে)
৫. ক্লান্তি া
৬. শরীরে ব্যথা
৮. পেশীতে ব্যাথা

করণীয়:
কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী/রোগীর সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তি ১৪ দিন পর্যন্ত আইসোলেশনে থাকবেন চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সময়সীমা বেশি বা কম হতে পারে।
রোগীকে আলাদা কক্ষ ও আলাদা শৌচাগার ব্যবহার করতে হবে।
রোগীর তৈজসপত্র যেমন-থালা, গ্লাস, কাপ ইত্যাদি, তোয়ালে, বিছানার চাদর ইত্যাদি অন্য কারো সাথে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা যাবেনা।
রোগীকে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
রোগীকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও ভিটামিন-সি যুক্ত ফল যেমনঃ লেবু, কমলা, মাল্টা, আমলকি প্রভৃতি খেতে হবে।
একটি থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।
পালস অক্সিমিটার দিয়ে অক্সিজেন স্যাচুরেশন পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।
উপুর হয়ে শোয়া, নিদেন পক্ষে উপুর হতে না পারলে পাশ ফিরে শোয়া।
ব্রিদিং এক্সারসাইজ করা।
দিনে ২-৪ বার নিঃশ্বাসে গরম পানির ভাপ নেয়া।
দিনে অন্তত ২/৩ কাপ গরম মসলা চা খাওয়া।
দিনে একবার নাকে কালিজিরা ভিজানো পানির ড্রপ নেয়া।
কালিজিরা, রসুন, মধু ইত্যাদি খাওয়া।


তীব্র উপসর্গ:
পূর্বের উপসর্গের সাথে
১.তীব্র শ্বাসকষ্ট
২.কিছুই খেতে না পারা
৩.পানিশূন্য হয়ে পড়া।
৪. বারবার বমি হতে থাকা।
৫. অসংলগ্ন কথাবার্তা বলা/বিভ্রান্তি/অর্ধচেতন/অবচেতন
৬. চোখে সমস্যা (যেমনঃ চোখ থেকে পানি পড়া, ফোলা চোখ ইত্যাদি)
৮. নীলচে চেহারা/ঠোঁট/জিভ

করণীয়
রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।


পোস্ট কোভিড উপসর্গ:

১.ক্লান্তি
২.নিশ্বাস নিতে কষ্ট
৩.স্নায়বিক জটিলতা
৪. ঘুমের সমস্যা
৫.কথা মনে রাখতে কষ্ট হওয়া/ মনযোগে সমস্যা
৬. কাশি
৭. পেশীতে ব্যাথা বা মাথা ব্যাথা
৮. হৃৎস্পন্দন দ্রুত হয়ে যাওয়া
৯. বিষন্নতা/ উদ্বিগ্নতা
১০. র‍্যাশ হওয়া
১১. চুল পড়া
১২.মুখে স্বাদ না থাকা
১৩.নাকে গন্ধ না পাওয়া

করণীয়
দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।


Share This

0 Response to "করোনার উপসর্গ ও আপনার করনীয়"

Post a Comment

Popular posts