করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা নেই।। শিক্ষামন্ত্রী।
Welcome To TopSuggestion

হরতকীর গুণাবলী উপকারীতা ও ঔষধিগুণ

বিভিন্ন ধরনে রোগ নিরাময়ে হরতকী কার্যকরীতা:-

হরতকী নামটা শুনলে ত্রিফলার কথা আসে। ত্রিফলা হলো তিনটি ফলের সমাহার।

সেই তিনটি ফল হচ্ছে- আমলকী, হরতকী ও বহেড়া। কিন্তুু এই তিনটি ফলের মধ্যে হরতকীর   গুণসব থেকে বেশি। হরতকী ভেষজ গুণসমৃদ্ধ, আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরিতে আমলোকি হরিতকি এবং বহেড়া অর্থাৎ ত্রিফলা ব্যাবহার করা হয়। হরিতকি কলেরা ও আমাশ দূর করার কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। হরতকী চূর্ণ, ঘিয়ের সাথে মিশিয়ে খেলে পিত্তশূল নিরাময় করে, এটা খাওয়ার ফলে পাইলস, হাঁপানি, চর্ম, ক্ষত, কনজাংটিভাইটিস  দূরীকরনে সাহায্য করে। 



হরতকীর গুণাবলি :

আয়ুর্বেদিক বিজ্ঞানে ত্রিফলা নামে পরিচিত তিনটি ফলের মধ্যে  একটি হলো হরতকী।হরিতকির স্বাদ তিতা, এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো এসিড, ফ্রুকটোজ ও বিটা সাইটোস্টেরল একই সঙ্গে দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। এটা রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কম করে। হৃৎপিণ্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম নিরাময় করতে সাহায্য  করে। হরিতকি রেচক, কষাকারক, পিচ্ছিলকারক,পরজীবীনাশক, পরিবর্তনসাধক, অন্ত্রের খিঁচুনি রোধক ও স্নায়বিক শক্তিবর্ধক। সেই জন্য  কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়বিক দুর্বলতা, অবসাদ ও অনেক ওজনের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে । হরতকীতে অ্যানথ্রাকুইনোন উপস্থিত থাকার জন্য  রেচক বৈশিষ্ট্য যুক্ত।  অ্যালার্জি দূর করতে হরতকী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । হরতকী ফুটানো  পানি পান করলে অ্যালার্জি কমে । হরতকীর গুঁড়া নারিকেল তেলের সাথে খরম করে  মাথায় মাখলে চুল সুন্দর করে । হরতকীর গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশি পান করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে। গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরতকী পানিতে গরম করে পান করলে অথবা গার্গল করলে আরাম পাবেন। দাঁতে ব্যথা করলে হরতকী গুঁড়া লাগালে ব্যথা নিরাময় হয়। 


১। হজমশক্তি বাড়ানোর জন্য ও পেট ফাঁপায়:

৫ থেকে ৬ গ্রাম হরতকীর খোসাচূর্ণ একটু পরিমান বিট লবণ ও কালো লবণ মিশিয়ে খাবারের পেরর দিনে ৩ বার খেলে  হজম শক্তি বাড়ে  ও পেটফাঁপা কমে । 


২। কোষ্ঠ কাঠিন্যে:

৫ থেকে ৬ গ্রাম হরতকীর খোসা চূর্ণকরে সমান চিনি মিশিয়ে রাতে গরম পানি খেলে  কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর হয়ে যায়।


৩। হিক্কায়:

৫ গ্রাম হরতকীর খোসা চূর্ণকরে গরম পানিসাথে দিনে ৩ থেকে ৪ বার সেবন করলে হিক্কা দূর হয় যাবে।


৪। শোথরোগে -

৬ গ্রাম হরতকীর খোসা চূর্ণকরে ৫ থেকে ৬ চা চামচ গুলঞ্চের রস সাথে মিশিয়ে  দিনে ৩ থেকে ৪ বার  সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়।


৫। অর্শরোগে -

৩ থেকে ৪ গ্রাম হরতকীর চূর্ণ একই পরিমান ঘোলের সঙ্গে  লবণসহ খেলে অর্শরোগ  নিরাময় হয়।


৬। হাঁপানি রোগে -

হরতকীর মোটা চূর্ণ সিগারেটের পাইপে ভরে অথবা বিড়ির মত পাকিয়ে আগুন ধরিয়ে ধোঁয়া টানলে হাঁপানি রোগের নিরাময় ঘটে।


৭। ঘন ঘন পানির তৃষ্ণা পেলে অথবা বমি-

বমিভাব দূর করতে হরতকী ব্যবহৃত হয়। ত্রিফলা অর্থাৎ আমলকী, বহেরা, হরতকী- সব  সমান ভাবে গুঁড়ার শরবত কোলেস্টেরল, প্রেসার বা রক্তচাপ কমানোর এক মহৌষধ। 


৮। জ্বর, কাশি, হাঁপানি, পেটফাঁপা, ঢেঁকুর ওঠা, বর্ধিত যকৃত ও প্লীহা, বাতরোগ, মূত্রনালীর অসুখ, ফুসফুস, শ্বাসনালীঘটিত রোগে হরতকী ফলের গুঁড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে

Share This

0 Response to " হরতকীর গুণাবলী উপকারীতা ও ঔষধিগুণ"

Post a Comment

Popular posts