ডিগ্রী ২য় বর্ষ ২০২১ দর্শন ৪র্থ পত্র স্পেশাল শর্ট সাজেশন রেডি আছে নিতে চাইলে ম্যাসেজ করুন।
Welcome To TopSuggestion

সপ্তম শ্রেণির ইসলাম ও বাংলা ২য় পত্র অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান

ইসলাম অ্যাসাইনমেন্ট এর সমধান:

 ***আল্লাহর একত্বাবাদের প্রমাণ***

একত্ববাদের আরবি প্রতিশব্দ হলো তাওহীদ। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহ তায়ালাকে এক ও অদ্বিতীয় হিসেবে স্বীকার করে নেওয়াকে তাওহিদ বলা হয়। তাওহিদের মূল কথা হলো আল্লাহ তায়ালা এক ও অদ্ধিতীয়। তিনি তার সত্তা ও গুণাবলিতে অদ্ভিতীয়।

তিনিই প্রশংসা ও ইবাদতের একমাত্র মালিক। তার তুলনীয় কেউ নেই  আল্লাহ তায়ালা বলেন:- “বলুন, তিনিই আল্লাহ, এক ও অদ্বিতীয়।” সূরা আল- ইখলাস, আয়াত-১ আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিযিকদাতা ও ইবাদতের যোগ্য এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে বিশ্বাসের নামই তাওহিদ।ইমনের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান ৰিষয় হলো তাওহিদ। অর্থাৎ মুমিন ৰা মুসলিম হতে হলে একজন মানুষকে সর্বপ্রথম আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদে বিশ্বাস করতে হবে। তাওহিদে বিশ্বাস ব্যতীত কোনো ব্যক্তিই ইমান বা ইসলামে প্রবেশ করতে পারে না। ইসলামের সকল শিক্ষা ও আদর্শই তাওহিদের উপর প্রতিষ্ঠিত। দুনিয়াতে যত নবী-রাসুল এসেছেন সকলেই তাওহিদের দাওয়াত দিয়েছেন। সকলের দাওয়াতের মূলকথা ছিল - লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বা আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। তাওহিদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠার জন্য নবী-রাসুলগণ আজীৰন সংগ্রাম করেছেন। হযরত ইবরাহিম (আ:) অগ্নিকুন্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন। আমাদের প্রিয় নবী (সা:) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছেন। বস্তুত, তাওহিদই হলো ইমানের মূল। ইসলামে এর গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা একটু গভীরভাবে চিন্তা করি তবে দেখতে পাবো কত বিশাল এ বিশ্বজগৎ। আমাদের পৃথিবী এর সামান্য অংশমাত্র ৷ গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, নীহারিকা, গ্যালাক্সি এ বিশ্বজ্রগতে বিরাজমান । এগুলোর প্রত্যেকটি সু- শৃংখলভাবে ঘুরছে। কোনটি এর নিধাঁরিত নিয়মের বাইরে যাচ্ছে না। আমাদের পৃথিবী কত সুন্দর । এতে রয়েছে বিশাল আকাশ, বিস্তৃত মাঠ, বড পাহাড় পর্বত, প্রবাহমান নদী নালা, সাগর মহাসাগর । আল্লাহ তা'আলাই এসব কিছুর সৃষ্টিকর্তা ও নিয়ন্ত্রন কারী । মহাজগতের নিয়ম-শৃঙ্খলা তাঁরই দান । পৃথিবীর সকল কিছুর ইচ্ছা করেন তাই হয়। এ সবকিছুতে যদি একের বেশি নিয়ন্ত্রন কারী থাকতো, তবে নানা রকম বিশুঙ্খলা দেখা দিত। এই বিষয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেন:- “যদি আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবীতে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ থাকতো তবে উভয়েই ধ্বংস হয়ে যেত।

-- সূরা আল--

আম্বিয়া, আয়াত-২২ 


বিশ্বে কি দু'জন ইলাহ থাকা সম্ভব? মানুষের বিবেক সর্বদা একথা স্বীকার করতে বাধ্য যে, এ বিশ্বে একজনই মাত্র ইলাহ আছেন। নতুবা যদি দুজন বা একাধিক ইলাহ থাকত – তর্কের খাতিরে ধরে নেয়া হলে- তাহলে প্রশ্ন দেখা দিতঃ যখন দুজনের মতে বিরোধ দেখা দিবে, বা দুজনই তাঁর নিজের ইচ্ছা পূরন করতে চাইবে তখন কি হবে? একজন একটি আদেশ দিবে আর অন্যজন এর বিপরীত আদেশ দিবে?! তখন একজনকেঅন্যজনের উপর জয়ী হতে হবে। আর একজন জয়ী হলে অন্যজন স্বাভাবিকভাবেই অক্ষম হবেন। আর একজন অক্ষম ব্যক্তি কি ইলাহ হতে পারেন? তাছাড়া একাধিক শ্রষ্টা থাকলে তারা তাদের সৃষ্টি কে নিয়ে আলাদা হয়ে যেতেন। যেমন আগুনের স্রষ্টা আগুন নিজ সৃষ্টি দ্বারা অন্যের উপর বিজয়ী হতে চাইতেন। সেরকম সূর্য দেবতা আলো দেওয়া বন্ধ করে দিতেন। অর্থ্যাৎ এভাবে ভাবলে দেখা যাবে প্রত্যেকটা জিনিসের একটি করে দেবতা তৈরি হবে। এবং তারা মারিমারিতে লিপ্ত হতো। ফলে আমাদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যেত। পৃথিবীর সকল কিছুই ধ্বংস হয়ে যেত। তাহলে একথা প্রমাণিত হলো যে, এ মহাবিশ্বে একজনই ইলাহ আছেন। উপরের আলোচনা থেকে একথা নির্দ্বিধায় বলা যায়  ইলাহ মাত্র একজনই । আর তিনি হলেন আল্লাহ তায়ালা । তিনি সকল কিছুর স্রষ্টা, নিয়ন্ত্রক ও পালনকর্তা । তাঁর হুকুম ও নিয়মেই সবকিছু পরিচালিত হয়। কোন সৃষ্টিই এ নিয়মের ব্যতিক্রম করতে পারে না। এসব কাজে তিনি একক ও অদ্বিতীয় । আন্তরিকভাবে এরূপ বিশ্বাসের নামই তাওহীদ বা একত্ববাদ। আর আমাদের সকলকে এই তাওহীদে বিশ্বাস করতে হবে।


বাংলা ২য় পত্র অ্যাসাইনমেন্ট এর সমধান:


সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য:

১. সাধু ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী । এর কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়।

২. সাধু ভাষার উচ্চারণ গুরুগন্তীর।

৩. সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদের রুপ পূর্ণাঙ্গ ।

৪.  সাধু ভাষায় সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ ৷

৫.  সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।

৬. সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের সেংস্কৃত শব্দ) প্রয়োগ বেশি ।

৭. সাধু ভাষা বক্তৃতা ও নাট্য সংলাপের অনুপযোগী । উল্লিখিত পাঠ থেকে বিভিন্ন পদের দৃষ্টান্ত

চিহ্নিতকরণঃ উদ্দীপকের উল্লিখিত অংশটি সাধু রীতিতে রচিত। উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে তার যৌক্তিকতা তুলে ধরা হলো। উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ক্রিয়াপদ অব্যয় ও তৎসম শব্দ গুলোর দৃষ্টান্ত 

নিম্নে চিহ্নিত করা হলোঃ

সর্বমান ঃ তাহা

ক্রিয়াঃ পাইলাম, আসিয়া, দিয়া, করিয়া, লইয়াছে।

অব্যয়ঃ সহিত, ইতোমধ্যে

তৎসম শব্দঃ সাক্ষাৎ, ক্ষুদ্র, হৃদয়। সাধু ভাষার

যোক্তিকতা ঃ আমরা জানি সাধু ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ

ব্যবহৃত হয় । অনুচ্ছেদটিতেও সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়েছে যেমন - তাহা, আসিয়া, করিয়া ইত্যাদি । সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণাপ রূপ ব্যবহৃত হয় । অনুচ্ছেদটিতে দিয়া অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে । এছাড়াও উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটিতে কিছু তৎসম শব্দের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায় যেমন - সাক্ষাৎ, ক্ষুদ, হৃদয়। যেগুলো দেখে আমরা খুব সহজেহ বুঝতে পারি, উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটি সাধু ভাষায় লিখিত হয়েছে। অর্থাও উদ্দীপকের উল্লিখিত অংশটি সাধু রীতিতে রচিত। উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে তার যোক্তিকতা নিরূপণ করা হলো।


Share This

0 Response to "সপ্তম শ্রেণির ইসলাম ও বাংলা ২য় পত্র অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান"

Post a Comment

Popular posts