ডিগ্রী ২য় বর্ষ ২০২১ ইসলামিক স্টাডিজ ৪র্থ পত্র স্পেশাল শর্ট সাজেশন রেডি আছে নিতে চাইলে ম্যাসেজ করুন।
Welcome To TopSuggestion

ঘৃতকুমারীর উপকারিতা ও গুণাবলী

শিক্ষা মুলক সকল খবরাখবর পেতে এবং সকল পরিক্ষার ৯০%-৯৯% কমন সাজেশন পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

 সৌন্দর্য বর্ধনে ভেষজ উদ্ভিদের ব্যবহার হয়ে আসছে সেই সুপ্রাচীন কাল থেকেই।  খুব পরিচিত ঘৃতকুমারী এমনই একটি গুণী উদ্ভিদ। রাস্তার আশে পাশে প্রায়ই কিছু লোককে দেখা যায় ঘৃতকুমারীর পাতা বিক্রি করতে। ঘৃতকুমারীর শরবতও বেশ বিক্রি হয় গরমের সময়।


পরিচয়ঃ ঘৃতকুমারী একটি বহুজীবি ভেষজ চিকিৎসার উদ্ভিদ। দেখতে ক্যাকটাস ক্যাকটাসের মতো হলেও এটা ক্যাকটাস নয়। আরো ভালো করে বললে ঘৃতকুমারী দেখতে ঠিক আনারস গাছের মতো। পাতাগুলো চওড়া, পুরু ও গাড় সবুজ। পাতার দুপাশে করাতের মতো কাঁটা রয়েছে। পাতার ভেতরে লালার মতো পিচ্ছিল সাদা রংয়ের শাঁস থাকে। এটি লিলিজাতীয় গাছ। এটির বৈজ্ঞানিক নাম Aloe Vera। সারা পৃথিবীতে প্রায় ২৫০ ধরনের ঘৃতকুমারীর গাছ পাওয়া যায়।


ঘৃতকুমারীর রয়েছে নানা ধরনের উপকারিতা ও গুণাবলী যা মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। যেমন:-


১। ঘৃতকুমারীর রস পান করলে ডায়রিয়াও সেরে যায়। নিয়মিত ঘৃতকুমারীর রস পান করলে, পরিপাকতন্ত্রের কার্যাবলি ভালো থাকে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। 


২। পরিশ্রম বা কাজ করার ফলে যেসব এনজাইম শরীরকে ক্লান্ত ও দুর্বল করে তোলে, ঘৃতকুমারীর রস তাদের ভারসাম্য রক্ষা করে শরীরের ক্লান্তি ও দুর্বলতা দূর করে।


৩। নিয়মিত ঘৃতকুমারীর রস পান করলে ইহা শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরের ওজন ঠিক রাখে, কারণ এতে চর্বি কমানোর উপাদান রয়েছে।


৪। ঘৃতকুমারী শরীরে সাদা রক্তকণিকা গঠনে সহায়তা করে ও বিভিন্ন ভাইরাসের সাথে লড়াই করে দমন করে।


৫। ঘৃতকুমারীর রস পানে হাড়ের সন্ধি সহজ হয় ও নতুন কোষ সৃষ্টিতে সাহায্য করে।


৬। ঘৃতকুমারীর রস নিয়মিত পান করতে চাইলে দিনে দুইবার করবেন এবং প্রতিবারে গ্রহণ করবেন ১০ মিলিলিটার। পাতার উপরের অংশ ভালো ভাবে পরিষ্কার করে শুধু ভেতরের অর্ধস্বচ্ছ অংশের রস করে খাবেন। চাইলে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন তবে চিনি মেশানো থেকে বিরত থাকবেন।


৭। রূপচর্চাতেও রয়েছে ঘৃতকুমারীর ব্যাপক অবদান রয়েছে। বিশেষ করে মেছতা নিরাময়ের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। ঘৃতকুমারীর পাতা, শসা ও মধু একত্রে পেস্ট করে মেছতায় নিয়মিত লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যায়। পাতার ভেতরের থকথকে অংশটা প্রতিদিন মেছতার ওপর লাগিয়ে মাসাজ করলে দাগ অনেকটাই কমে যায়। রোদে পোড়া ত্বকে ঘৃতকুমারী সমান কার্যকর।


৮। ঘৃতকুমারীর রস মুলতানি মাটির সাথে মিশিয়ে পোড়া অংশে লাগালে উপকার পাবেন।


৯। খুশকি দূর করতে ঘৃতকুমারীর সাহায্য করে। এর রস সপ্তাহে দুদিন চুলের গোড়ায় লাগিয়ে দেখুন, মাত্র এক মাসে ফলাফল পাবেন! চুলে ঘৃতকুমারী নিয়মিত লাগালে চুলের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। চুল হয় সিলকি ও ঝরঝরে।


বিঃদ্রুঃ অতিরিক্ত পরিমানে গ্রহন থেকে বিরত থাকবেন। এর পাতার হলুদ হয়ে গেলে এর রস পান থেকে বিরত থাকুন। এবং এর পাতার মধ্যে হলুদ রঙের আঠালো তরল পদার্থ পান করবেননা। এটি পান করলে পেটের নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।


Share This

0 Response to "ঘৃতকুমারীর উপকারিতা ও গুণাবলী"

Post a Comment

Popular posts