করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা নেই।। শিক্ষামন্ত্রী।
Welcome To TopSuggestion

৭ম শ্রেণীর ২য় সপ্তাহের Assignment ও Solutions



বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা
বিজ্ঞান
ক) এমেবিক আমাশয় কোন অণুজীবের কারনে হয়?
খ) ব্যাকটেরিয়াকে আদি কোষী বলা হয় কেন?
গ) উদ্দীপকের প্রথম অণুজীবটি (ভাইরাস) উদ্ভিদের কোন কোন রোগ সৃষ্টি করে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ) উদ্দীপকের প্রথম অণুজীবটির (ব্যাকটেরিয়া) অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নঃ
১। ছত্রাককে মৃতজীবী বলা হয় কেন?
২। ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয় কেন?
ক) এমেবিক আমাশয় কোন অণুজীবের কারনে হয়?
সমাধানঃ এন্টামিবা নামক এক ধরনের এককোষীয় প্রাণীর আক্রমণের এমেবিক আমাশয় হয়। অ্যামিবা ঘটিত আমাশয় বড় ছেলে-মেয়েদের হয়ে থাকে কিন্তু ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে এর প্রবণতা অত্যন্ত কম।
খ) ব্যাকটেরিয়াকে আদি কোষী বলা হয় কেন?
সমাধানঃ যেসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত নয় তাকে আদি কোষ বলে। ব্যাকটেরিয়ার কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না বলে একে আদি কোষী জীব বলা হয়। ব্যাকটেরিয়ার কোষের নিউক্লিয়াসে কোনো পর্দা থাকে না। ফলে নিউক্লিয়াস বস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে। এসব কোষে মাইট্রোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, অ্যান্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না।
গ) উদ্দীপকের প্রথম অণুজীবটি (ভাইরাস) উদ্ভিদের কোন কোন রোগ সৃষ্টি করে তা ব্যাখ্যা কর।
উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস যেসব রোগ ছড়ায়
সমাধানঃ উদ্দীপকে প্রথম অণুজীব টির নাম হল ভাইরাস। জীবিত জীব দেহ ছাড়া বা জীবদেহের বাহিরে এরা জীবনের কোন লক্ষণ দেখায় না। এ কারণেই ভাইরাস প্রকৃত পরজীবী।
এই অনুজীবটি মানব দেহের নানা রোগ ছাড়াও উদ্ভিদ দেহে নানা রকম রোগ সৃষ্টি করে।
যেমনঃ
(ক) ধান গাছে টুংরো রোগ এই ভাইরাসের কারণে হয়। যার ফলে ধান অতি তাড়াতাড়ি ঝরে পড়ে।
(খ) তামাকের মোজাইক রোগ এই ভাইরাসের কারণে হয়। এর ফলে তামাকের পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়।
ঘ) উদ্দীপকের প্রথম অণুজীবটির (ব্যাকটেরিয়া) অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
সমাধানঃ উদ্দীপকের দ্বিতীয় অণুজীব টির নাম ব্যাকটেরিয়া। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এ জীবটির অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে : চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ তৈরিতে ব্যাকটেরিয়াকে কাজে লাগানো হয়, যেমন: সাবটিলিন, পলিমিক্সিন, টেরামাইসিন ইত্যাদি ব্যাকটেরিয়া থেকে ওষুধ তৈরী করা হয় এবং সেই ওষুধ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়।
কৃষি ক্ষেত্রে : পাট থেকে আশ ছাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে। দই তৈরি করতে ও ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে। কৃষি ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধনে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা অনেক। তাছাড়া আবর্জনা পঁচাতে সাহায্য ব্যাকটেরিয়া করে।
মানব জীবনে : মানবদেহে ভিটামিন (ভিটামিন-বি, ভিটামিন-কে), ফলিক অ্যাসিড, বায়োটিন তৈরিতে ব্যাকটেরিয়া সহায়তা করে। তাছাড়া মৃত জীব দেহ পঁচাতে সাহায্য করে।
গবেষণায় ব্যাকটেরিয়া : ব্যাকটেরিয়া জীন প্রকৌশলের মূল ভিত্তি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে জীবের কাঙ্খিত বৈশিষ্ট্য পাওয়ার জন্য জীনগত পরিবর্তনের কাজে ব্যাকটেরিয়াকে ব্যাবহার করা হয়।
১। ছত্রাককে মৃতজীবী বলা হয় কেন?
সমাধানঃ ছত্রাক সমাঙ্গদেহী অসবুজ উদ্ভিদ। এদের দেহে ক্লোরোফিল থাকে না। ফলে এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করতে পারে না। খাদ্যের জন্য এরা মৃত জীবদেহের ওপর নির্ভর করে। এছাড়া এরা মৃত জীবদেহ বা জৈব পদার্থে পূর্ণ এমন মাটিতে জন্মায়। এ কারণে ছাত্রাককে মৃতজীবী বলা হয়।
২। ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয় কেন?
সমাধানঃ ভাইরাসের দেহ কোষ প্রাচীর ,প্লাজমালেমা, সুগঠিত নিউক্লিয়াস ,সাইটোপ্লাজম ইত্যাদি কিছুই না থাকার জন্য ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয়। এটি শুধু প্রোটিন আবরণ ও নিউক্লিক এসিড নিয়ে গঠিত। অকোষীয় জীবের ভেতর প্রাথমিক সদস্য হল ভাইরাস। সংখ্যালঘু সংখ্যক জীববিজ্ঞানীরা ভাইরাসকে বিবেচনা করেন জীবিত প্রাণী হিসাবে, কিন্তু বেশিরভাগ তা মনে করেন না। তাদের প্রধান আপত্তির কারণ হল, কোন পরিচিত ভাইরাস অটোপোয়সিস (কোষ বিভাজন ও স্বসংরক্ষণ) করতে সক্ষম নয়, যার মানে হল এগুলো নিজেদের বংশবৃদ্ধি করতে পারে না, এদের বংশবৃদ্ধির জন্য অন্য কোষের উপর নির্ভর করতে হয়।
প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ব। সপ্তম শ্রেণির (৭) দ্বিতীয় সপ্তাহের Assignment & Solution
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ব
ভূমিকাঃ
আধুনিক জীবনের সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রাচীন সভ্যতা থেকে শুরু করে আজকের এই নগর সভ্যতার দিকে তাকালে আমরা এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন লক্ষ করতে পারি। এই যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে দিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। সমাজের যে স্তরে এখনো বিজ্ঞানের ছোঁয়া লাগেনি সে স্তরে এখনো উন্নতির ছোঁয়া প্রবেশ করতে পারেননি। তাই বলা যায় যে সভ্যতার উন্নয়নের মূলে রয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। পিটার থেইল বলেছেনঃ
"Technology just means information technology."
ব্যক্তিগত জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাবহারের ক্ষেত্রসমূহঃ
সাম্প্রতিককালে তথ্য প্রযুক্তির যে বিস্ময়কর উন্নতি সাধিত হয়েছে তা প্রযুক্তি বিজ্ঞানেরই অবদান পৃথিবীতে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না, যে কোন না কোনভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করেনি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের বড় বড় কাজে ব্যবহার হচ্ছে। ঘুমাতে যাওয়া থেকে শুরু করে ঘুম থেকে জেগে উঠা পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্তে আমারা প্রযুক্তির ব্যাবহার করে আসছি। ব্যক্তিগত জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলঃ
ক) ব্যক্তিগত যোগাযোগ
খ) বিনোদন
গ) জিপিএস (GPS: Global Positioning system)
ঘ) কম্পিউটার ব্যবহার করে গান শোনা
ঙ) ই-বুক ব্যবহার করে বই পড়া
চ) কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যোগাযোগ
ছ) মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘরে বসেই পরীক্ষার ফলাফল জানা যায়।
জ) মোবাইল ফোন ব্যবহার করে টাকা পাঠানো এবং গ্রহণ করা যায়।
ঝ) অনলাইন এবং ইন্টারনেট ব্যবহারে ঘরে বসেই চাকরির দরখাস্ত করা যায় এবং পরীক্ষার প্রবেশপত্র অনলাইন থেকে প্রিন্ট করা যায়।
ঞ) অনলাইন টিকিটিং সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরের বাইরে বা স্টেশনে না গিয়েই ট্রেন ও প্লেনের টিকিট কেনা যায়।
ট) ইন্টারনেটে ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় পণ্যের অর্ডার দেওয়া এবং বিল পরিশোধ করা যায়।
ব্যক্তিগত জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্ব
কম্পিউটার-নির্ভর ইন্টারনেট প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে সমগ্র বিশ্বটিই এখন এক বিশাল তথ্যভান্ডারে পরিণত হয়েছে। নুতন নুতন তথ্যের সমাবেশ ফলে তথ্যের পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপযুক্ত তথ্য পাওয়ার গুরুত্ব অনেক বেড়ে যাচ্ছে। কারণ, মানুষের নিজের পক্ষে সব তথ্য মনে রাখা বা হাতের কাছে পাওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন ভালো যোগাযোগব্যবস্থা। সম্প্রতি কোভিড-১৯ এর কারনে প্রযুক্তির ব্যাবহার অনেক গুরুত্ব পেয়েছে। মহামারি পরিস্থিতে মানুষ গৃহবন্দি থাকলেও যোগাযোগ থেমে ছিল না। ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যাবহার করে একে অন্নের খবর নিতে পরেছে, অন্যদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পেরেছে, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষদের কোভিড-১৯ এর সম্পর্কে সচেতন করেছে এবং এর থেকে বাঁচার উপায় সম্পর্কে জানিয়েছে। তাছাড়া অসহায় দুঃস্থ মানুষদের আর্থিক সহায়তার জন্য বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক সংস্থা কে অনুদান দিয়ে সহায়তা করা সম্ভব হয়েছে। যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির কারণে বাসা থেকে অনলাইনে পাঠদান সম্ভব হয়েছে।
উপসংহার
কালের বিবর্তনে মানব জীবন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে তথ্য ও যোগাযোগ এর অবদান রয়েছে মানব জীবনে বিজ্ঞানের এ ব্যবহারকে ইতিবাচক দিকে রাখতে হবে তথ্য ও প্রযুক্তির আলোয় প্রতিটি মানুষকে আলোকিত করতে হবে সমস্ত কলুষতা থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে মুক্ত করার জন্য সকল ধরনের অপব্যবহার থেকে তথ্য কে সরিয়ে রাখতে হবে তবেই মানবসভ্যতা যথার্থ উন্নয়ন সম্ভব।
ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা
১। আকাইদ কী?
আকাইদ শব্দটি আকিদা শব্দের বহুবচন। এর অর্থ বিশ্বাসমালা। ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর প্রতি দৃঢ়বিশ্বাসকেই আকাইদ বলা হয়। আল্লাহ, নবী-রাসূল, ফেরেশতা, আসমানি কিতাব, পরকাল, জান্নাত-জাহান্নাম ইত্যাদি আকাইদের অন্তর্ভুক্ত।
২। তাওহীদ বিশ্বাস করা প্রয়ােজন কেন?
তাওহীদে বিশ্বাসের প্রয়োজনীয়তাঃ
ইসলামের যেসব মূল বিষয়ের ওপর বিশ্বাস করতে হয়, সেগুলাের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস।এটি ঈমানের প্রথম কথা। আর আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসের মূল হল তাওহীদ। ইসলামের সকল শিক্ষাই তাওহীদে।বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সর্বপ্রথম নবী হযরত আদম (আ) থেকে শুরু করে সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (স) পর্যন্ত অসংখ্য নবী-রাসূল মানুষের হিদায়াতের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন। এ সংগ্রামে হযরত ইবরাহীম (আ) অগ্নিকুণ্ডে। নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। হযরত মুহাম্মাদ (স) নির্মম নির্যাতন সহ্য করেছেন, হিজরত করতে বাধ্য হয়েছেন। এক আল্লাহর প্রভুত্ব স্বীকার করে নিলে অসংখ্য সৃষ্টির দাসত্ব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাওহীদে বিশ্বাসী মানুষ অন্য
মানুষ, জড় পদার্থ, প্রকৃতি বা অন্য কোন শক্তির সামনে মাথা নত করে না। তাওহীদে বিশ্বাস মানুষের আত্মসচেতনতা ও আত্মমর্যাদাবােধ জাগিয়ে তােলে। এ বিশ্বাস সব বিভেদ ভুলিয়ে সকল সৃষ্টির মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করে। তাওহীদে
বিশ্বাসের ফলে উদার দৃষ্টিভঙ্গির সৃষ্টি হয়। তাওহীদে বিশ্বাসীকে কোন কিছুই তাঁর সংকল্প থেকে বিচ্যুত করতে পারে।। তিনি সঙ্কর্মের প্রতি অনুপ্রাণিত হন।
৩। কুফরির পরিণাম ব্যাখ্যা কর।
সমাধানঃ যে ব্যক্তি কুফ্রী কাজে লিপ্ত হয় তাকে কাফির বলে। বিশ্বের সমগ্র সৃষ্টি আল্লাহর অস্তিত্ব ও একত্বের প্রমাণ ঘােষণা করছে। কাফির ব্যক্তি এ মহাসত্যকে দেখেও গােপন করে, অস্বীকার করে, অবিশ্বাস করে। মানুষ সবসময় আল্লাহ পাকের অসংখ্য নিআমতের মধ্যে ডুবে আছে। আগুন, পানি, আলাে, বাতাস, সবকিছুই আল্লাহর দান। মানুষের হাত, পা, চোখ, কান, মস্তিষ্ক, জ্ঞান-বুদ্ধি, শক্তি-সামর্থ্য সবই আল্লাহর দান। এরপরও যে ব্যক্তি আল্লাহকে অস্বীকার করে সে
চরম অকৃতজ্ঞ, অবাধ্য ও কাফির।
কুফরের পরিণতি
১. কাফির অকৃতজ্ঞ : আল্লাহ পাকের অসংখ্য নিআমত ভােগ করেও যে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে না, তার মত অকৃতজ্ঞ আর কে হতে পারে? অকৃতজ্ঞ ব্যক্তির দুনিয়ায় কোন মর্যাদা নেই। আর তার জন্য রয়েছে আখিরাতে কঠিন শাস্তি।
২. অবাধ্য ও বিরােধী : কাফির ব্যক্তি মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর অবাধ্য এবং তার নিয়ম-শৃঙ্খলা ও বিধি- বিধানের বিরােধী। সে আল্লাহদ্রোহী। আল্লাহদ্রোহীর শান্তি অতি কঠোর।
৩. কুফর একটি জঘন্য যুলম : হাশরের ময়দানে কাফিরের বিরুদ্ধে তার নিজের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আল্লাহর আদালতে অভিযােগ করবে। বলবে, সে আমাদের কুপথে চালিত করেছে। আল্লাহ এ বিদ্রোহী যালিমের কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করবেন।
৪. হতাশা : কুফ ও নাফরমানী করলে মানুষ ব্যর্থ ও হতাশ হয়ে যায়। কারণ, আল্লাহর প্রতি তার ভরসা নেই। ব্যর্থ ও হতাশ ব্যক্তির পরিণতি অতি শশাচনীয়। কেননা সে পার্থিব ব্যর্থতাকে মেনে নিতে পারে না।
৫. অনন্তকালের শাস্তি : এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক বলেন, “যারা অবিশ্বাস করবে এবং আমার নির্দেশগুলাে মিথ্যা
জানবে, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে।” (সূরা আল-বাকারা : ৩৯)
৪। শিরকের কুফল ও পরিণতি বর্ননা কর।
সমাধানঃ শিরক অর্থ অংশীবাদ অর্থাৎ একাধিক স্রষ্টা, একাধিক উপাস্যে বিশ্বাস করা। মহান আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা।বা কাউকে তাঁর সমগুণসম্পন্ন ও সমতুল্য মনে করাকে শির্ক বলে। যে ব্যক্তি শির্ক করে, তাকে বলে মুশরিক। আল্লাহর ইবাদাতে অন্য কোন শক্তি বা বস্তু শামিল করাও শিরুক।
কুফল ও পরিণতিঃ
শিরকের অপরাধ যে কত জঘন্য সে সম্বন্ধে আল্লাহ পাক বলেন- “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিক করার গুনাহ্ ক্ষমা করেন না, তাছাড়া অন্য যে কোন গুনাহ্ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।” (সূরা আনিসা : ৪৮)
শিরক যে অমার্জনীয় অপরাধ শুধু তাই নয় বরং এতে আল্লাহর সেরা সৃষ্টি মানুষের অমর্যাদাও করা হয়। মানুষকে আল্লাহ পাক তাঁর ইবাদাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। আর অন্য সবকিছু সৃষ্টি করেছেন মানুষের উপকারের জন্য। মানুষকে এমন সব গুণ দেওয়া হয়েছে, যা দ্বারা সে অন্য সব সৃষ্টিকে বশে এনে নিজের কাজে ব্যবহার করতে সক্ষম। কিন্তু মুশরিক ঐসবের সামনে মাথা নত করে। এভাবে নিজের মর্যাদাহানির জন্য সে নিজেই দায়ী। শিকের মাধ্যমে মানব সমাজে
বিবাদ ও বিভেদ সৃষ্টি হয়। বড় ছোেট এর পার্থক্য সৃষ্টি হয়। মুশরিক নানারকম জড় পদার্থ, দেবদেবী, প্রতিমা,
প্রাকৃতিক শক্তির সামনেও মাথা নত করে। এ হচ্ছে মানবতার চরম অবমাননা।
Share This

0 Response to " ৭ম শ্রেণীর ২য় সপ্তাহের Assignment ও Solutions"

Post a Comment

Popular posts